সময়ের বরকত ও মুমিনের ব্যস্ততা

ইসলামি জীবনদর্শনে সময়ের গুরুত্ব অপরিসীম। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা সময়ের কসম খেয়েছেন, যা এর গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে দেয়। সময়ের বরকত বলতে কেবল দীর্ঘ সময় পাওয়াকে বোঝায় না, বরং অল্প সময়ে বেশি এবং অর্থবহ কাজ করতে পারাকে বোঝায়।
পরিকল্পিত জীবন: একজন মুমিনের প্রতিটি কাজ হতে হবে উদ্দেশ্যমুখী। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “মানুষের ইসলামের অন্যতম সৌন্দর্য হলো নিরর্থক কাজ ত্যাগ করা।”
সকালের বরকত: দিনের শুরুতে কাজের বরকত বেশি থাকে। আধুনিক প্রোডাক্টিভিটি সিস্টেমের চেয়েও কার্যকর হলো সুন্নাহ ভিত্তিক ‘আর্লি রাইজিং’ বা ভোরে ওঠা।
পরকালমুখী লক্ষ্য: আমরা যখন আমাদের কোডিং, লেখালেখি বা পেশাদার কাজকে ইবাদত হিসেবে নিয়ত করি, তখন প্রতিটি সেকেন্ড সওয়াবের অন্তর্ভুক্ত হয়।