জবানের হেফাজত
ইবরাহীম ইবনে আদহাম রহ. থেকে বর্ণিত আছে, একবার তিনি একটি ওলীমার অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রিত হয়ে যান। সেখানে লোকেরা একজনকে নিয়ে কথা বলছিল, যিনি তখনো সেখানে উপস্থিত হননি।কিছু লোক বলল, ‘আরে সে তো স্থূল প্রকৃতির।’এ কথা শুনে ইবরাহীম ইবনে আদহাম রহ. বললেন, ‘আমি নিজের প্রতি এই অন্যায় করেছি যে, এমন জায়গায় উপস্থিত হয়েছি, যেখানে অন্যের গীবত হচ্ছে।’এ কথা বলে তিনি সেখান থেকে না খেয়েই বেরিয়ে গেলেন এবং পরবর্তী তিন দিন পর্যন্ত কিছু খাননি।জবানের হেফাজত, [আল-আযকারের নির্বাচিত অংশ]
ইমাম মুহিউদ্দীন আন-নববী রহ.জবান হেফাজতের গুরুত্ব, পদ্ধতি নিয়ে মণিমুক্তোয় পরিপূর্ণ এই বইটি।
চোখের হেফাজত
আমাদের দৈনন্দিন জীবনে আমরা অনেক সময়ই ব্যর্থতার সম্মুখীন হই, আমরা পথ হারিয়ে ফেলি, আমরা একটি সঠিক সুরাহা চাইলেও আমাদের অমনোযোগী আচরণ অনেক সময়ই তা দূরে ঠেলে দেয়, সঙ্গীরাও খোলস পড়ে থাকে, টেনে নেয় বিপথে। কোনটা অামাদের জন্য ভালো কোনটা ক্ষতিকর এ বিবেচনাবোধ আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে প্রবৃত্তির অন্ধকামনায়, তখন আলোর ক্ষীণ কিরণের জন্যও মন বিমর্ষ হয়ে থাকে সবসময়। অথচ মনের অন্যদিক মেতে থাকে অন্ধকারের জলকেলিতে।কুরআন ও হাদিসে মুমিনের সফলতার পথ বাতলে দেওয়া হয়েছে। কুরআনে যেমন নারী-পুরুষকে দৃষ্টি সংযত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, হাদিসেও উপর্যুপরি নিষেধাজ্ঞা ও দৃষ্টির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার বিষয়ে সতর্কবাণী এসেছে। পাশাপাশি অভিজ্ঞ আলেমদের উপলব্ধির নিগূঢ় থেকে কুদৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব ও সমকালিন সমস্যার নিরসন নিয়েও আছে চমৎকার বয়ান।
কানের হেফাজত
কেন কানের হেফাজত জরুরি?
কান যেমন ভালো ও কল্যাণকর বিষয় গ্রহণ করতে পারে, তেমনি মন্দ ও পাপপূর্ণ বিষয়ও গ্রহণ করে। অশ্লীল গান, অকারণ গল্প-গুজব, গিবত, মিথ্যা—এসব যদি নিয়মিত কানে প্রবেশ করে, তবে অন্তর কলুষিত হয়ে যায়। অন্যদিকে, কুরআনের তিলাওয়াত, উত্তম উপদেশ, আল্লাহর স্মরণ ও উপকারী জ্ঞানের আলোচনায় অন্তর আলোকিত হয়, আমলের প্রতি উদ্যমতা বাড়ে এবং ইমান দৃঢ় হয়।
নবি কারিম (সা.) মানুষের তিনটি জিনিসের হিসাব দেওয়ার কথা বলেছেন: চোখ, কান ও অন্তর। কিয়ামতের দিন প্রত্যেককে জিজ্ঞাসা করা হবে সে কানে কী শুনেছে এবং কোন বিষয়ে মনোযোগ দিয়েছে। পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছে,
“নিশ্চয়ই শ্রবণ, দর্শন ও অন্তর, এগুলোর প্রত্যেকটি সম্পর্কেই জিজ্ঞাসা করা হবে।” (সুরা বনী ইসরাঈল: ৩৬)। অতএব, কান শুধু দেহের অঙ্গ নয়; এটি একটি মহান আমানত, যা সঠিকভাবে ব্যবহার করা প্রত্যেক মুমিনের দায়িত্ব।
এই বইয়ের উদ্দেশ্য:
এই বইয়ে কানের হেফাজতের বিষয়টি কুরআন-হাদিস, সালাফে সালিহিনের জীবন এবং সমসাময়িক বাস্তবতার আলোকে আলোচনা করা হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য হলো কানের অপব্যবহারের ভয়াবহতা তুলে ধরা এবং এটি সঠিকভাবে ব্যবহারের মাধ্যমে আত্মশুদ্ধি ও ইবাদতে প্রভাব বিস্তারের কার্যকর উপায় বাতলে দেওয়া। যেভাবে চোখ ও জবানকে হারাম থেকে রক্ষা
Mamunul –
বর্তমান সময়ে সেরা একটি প্যাকেজ। চোখের হেফাজত জবানের হেফাজত এবং কানের হেফাজত করতে পারলে আমরা বিভিন্ন অনেক কবীরা গুনাহ থেকে বেচে থাকতে পারমু।
Mamunul –
সেরা একটি প্যাকেজ।